ভারতে ১০ দিনের মধ্যে তৃতীয়বার বাড়ল পেট্রোল-ডিজেলের দাম
ডেস্ক রিপোর্ট
আপলোড সময় :
২৩-০৫-২০২৬ ০৩:৩৯:১১ অপরাহ্ন
আপডেট সময় :
২৩-০৫-২০২৬ ০৩:৩৯:১১ অপরাহ্ন
ফাইল ছবি
ফের ভারতে দাম বাড়ল পেট্রোল-ডিজেলের। এ নিয়ে গত ১০ দিনের মধ্যে তৃতীয়বারের মতো দেশটিতে বেড়েছে পেট্রোল-ডিজেলের দাম। শনিবার (২৩ মে) ভারতের বিভিন্ন বড় শহরে পেট্রোল ও ডিজেলের দাম প্রায় ১ রুপি পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।
গত ১৫ মে প্রথম দফায় জ্বালানির দাম লিটার প্রতি গড়ে ৩ রুপি বাড়ানো হয়। এরপর ১৯ মে দ্বিতীয় দফায় দাম বৃদ্ধি করা হয় গড়ে ৯০ পয়সা। আর শনিবার তৃতীয় দফায় দাম বাড়ল গড়ে ৯১ পয়সা। সব মিলিয়ে গত ১০ দিনে পেট্রোল-ডিজেলের দাম বাড়ল লিটার প্রতি প্রায় ৫ রুপি।
শুধু পেট্রোল-ডিজেল নয় এ সময়ের মধ্যে তিনবার দাম বেড়েছে সিএনজিরও। শনিবার প্রতি কেজিতে এক রুপি বাড়িয়ে সিএনজি বিক্রি করা হচ্ছে। ভারতের প্রধান মেট্রো শহরগুলোর মধ্যে হায়দরাবাদে বর্তমানে সবচেয়ে বেশি দামে জ্বালানি বিক্রি হচ্ছে৷ অন্যদিকে, চণ্ডীগড়ে সবচেয়ে কম দামে পাওয়া যাচ্ছে পেট্রোল ও ডিজেল।
কলকাতায় গত শুক্রবারে পেট্রোলের দাম ছিল ১০৯ রুপি ১৭ পয়সা, সেই দাম মঙ্গলবার বেড়ে হয়েছিল ১১০ রুপি ১৩ পয়সা। ফের আজ শনিবার সেই দাম বৃদ্ধি পেয়ে হলো ১১১ রুপি ৭ পয়সা। অন্যদিকে ডিজেলের দাম গত শুক্রবার ছিল ৯৫ রুপি ৫৩ পয়সা, মঙ্গলবার দাম বেড়ে হয়েছিল ৯৬ রুপি ৪৭ পয়সা। আজ শনিবার দাম বেড়ে হলো ৯৭ রুপি ৪১ পয়সা।
দিল্লি-এনসিআরে প্রতি কেজিতে সিএনজির দাম এক রুপি করে বেড়েছে। দিল্লিতে এখন সিএনজির দাম বেড়ে ৮১ রুপি ৯ পয়সা হয়েছে প্রতি কেজিতে। নয়ডা ও গাজিয়াবাদে সিএনজির দাম ৮৯ রুপি ৭০ পয়সা। এছাড়া সব থেকে বেশি দাম এখন আজমিরে। সেখানে প্রতি কেজি সিএনজির দাম ৯০ রুপি ৪৪ পয়সা।
পেট্রোল ডিজেলের পাশাপাশি সিএনজির দাম বাড়ায় পরিবহন ব্যবস্থায় চাপ সৃষ্টি হবে আরও। লাগাতার মূল্যবৃদ্ধির কারণে এবার সিএনজি চালিত অটোর ভাড়াও বৃদ্ধি পাবে। আবার অনেক রাজ্যে বাসও সিএনজিতে চলে। পকেটে চাপ বাড়বে মধ্যবিত্তেরই। ট্যাক্সি ভাড়াও অনেকটা বাড়বে সিএনজির দাম বাড়ার কারণে।
মূলত মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের জেরে প্রকট হচ্ছে জ্বালানি সংকট। হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকায় ব্যাহত হচ্ছে ভারতের জ্বালানি আমদানি। এর কারণেই পেট্রোল-ডিজেল থেকে শুরু করে সিএনজি, এলপিজির দাম বাড়ছে।
ভারতের অয়েল মার্কেটিং সংস্থাগুলো জানিয়েছে, ইরান-আমেরিকার যুদ্ধ এবং হরমুজ প্রণালি অবরুদ্ধ হওয়ায় জ্বালানি তেল সরবরাহে ঘাটতি তৈরি হচ্ছে। ইন্ডিয়ান অয়েল কর্পোরেশন লিমিটেড, ভারত পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন লিমিটেড ও হিন্দুস্তান পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন লিমিটেড জানিয়েছে, তাদের দৈনিক ক্ষতি হচ্ছে ১৬০০ কোটি রুপি।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এনআইএন
প্রিন্ট করুন
কমেন্ট বক্স